সুজন দাশের ফেসবুক থেকে।
গত কয়েক দিনে আমাকে নিয়ে সোসাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও আমার আত্মপক্ষ সমর্থন প্রসঙ্গেঃ
গত ১৭আগস্ট দুপুর বেলা আমার নাম্বারে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে কল আসে, অপর প্রান্তের জন নিজেকে লোহাগাড়া উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার নামক ফেসবুক আইডির এডমিন পরিচয় দেয়। পরিচয় দিয়ে বলেন -অন্য জনের পোস্টে বানান ভুল ধরার চাকরী কবে থেকে নিছি, কে কত বেতন দেয় এসব যা তা। পরে সে সংলাপ তুই তোকারি পর্যন্ত যায়। কিছু ক্ষন পরেই তার পরিচয় জানতে পারি সে আমার একই এলাকার বয়সে আমার জুনিয়র হয়, নাম আরিফ। আমি প্রতি উত্তরে বলি আমরা বাংলা ভাষার জন্য বুকের রক্ত দিয়েছি তাই বানান ভুল করা ঠিক নয় আর দেখতে খুবই দৃষ্টি কটু লাগে, আর উপজেলাধীন ডিজিটাল সেন্টার এর নামে জনগুরুত্বপূর্ণ আইডির পোস্টে বানান ভূল খুবই লজ্জাজনক। আপনাদের এই বিষয়টা জানানো দরকার এর কিছু দিন আগে ১৫ আগস্ট শোক দিবসের অনুষ্ঠানের পোস্টে "লোহাগাড়া উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার" নামক আইডি এর পোস্টে বেশ কিছু পরিচিত শব্দে বানান ভূল লক্ষ্য করি এবং তাতে কমেন্ট করে পোস্টদাতার দৃষ্টি আকর্ষন করতে চেষ্টা করি কিন্তু দিন শেষে ও পোস্টদাতার কোনরুপ সাড়া না পেয়ে সেসব ভুল বানানের পোস্টের স্ক্রীনশট নিয়ে আমার আইডি থেকে পোস্ট করি।
এবার আসি আগের মূল কথায়, ফোনে এবং মেসেঞ্জারে আমাকে নানান ভাবে কটুক্তি ও হেয় করার চেষ্টা করে সে ,আমার আইডি হ্যাক করার হুমকি দেয়, আমাকে দেখে নেয়ার ও হুমকি দেয় আমি এতে কর্ণপাত না করে তার ফোন কেটে দিই এবং তাকে ফেসবুকে আমার আইডি থেকে ব্লক মারি।
মূলত এর পর থেকেই শুরু হয় আমার নামে অপপ্রচার নোংরামী যা তা। আমার বিভিন্ন সময় করা পোস্ট গুলোর স্ক্রীনশট নিয়ে চলছে গুজব রটানো। মানুষ মাত্রই ভুল কেউ সমালোচনার উর্ধে নয়। আমি যেরকম নই শুধুমাত্র নিজ স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য আমা যে রকম নই আমাকে সেরকম নোংরা ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, হচ্ছে। যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এটি খুবই দু:খজনক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এই কারনে যে, এখানে বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করতে সাম্প্রদায়িক পোস্টে রুপ দিতে নানান চক্রান্ত চালানো হচ্ছে ভেতরে বাইরে। এটি এই কারনে বলছি যে, এখানে এমন সব পোস্টের স্ক্রীনশট ব্যবহার করা হয়েছে যেসব পোস্টের অস্তিত্ব এখন আর নেই শুধু কয়েক মিনিটের জন্য আমার আইডিতে ছিলো। আমি মানছি কিছু পোস্ট বিতর্কিত ছিলো, কোন বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠীর জন্য অবমাননা কর ছিলো কিন্তু তা তো ক্ষনিকের জন্য ছিলো, এর পরে ডিলিট বা এডিট করা হয়েছিলো নাকি। ডিলিট বা পরিবর্তন করার আগের পোস্টের স্ক্রীনশট দিয়ে কেন জল ঘোলা করা হচ্ছে? প্রশ্ন রইল।
কারন পাঠকের মতামত, এলিট পারসন দের পরামর্শ মেনে পোস্ট গুলো সম্পাদনা বা কিছু ক্ষেত্রে ডিলিট ও দেয়া হয়েছিল। তাহলে ভুল বুঝতে পেরে পদক্ষেপ নেওয়ার পরে ও কেন এগুলো নিয়ে ত্যানা প্যাচাঁ করা হচ্ছে, কোন হীন উদ্যেশ্যেকে?
এটা থেকেই প্রতীয়মান হয় যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাদের নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমার পেছনে লাগছে, এছাড়া কিছু নয়।
সেই ২০০৭ সাল থেকে এই ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে আসতেছি কখনো কোন সমস্যা হয় নি, এই চলার পথো ভূল ত্রুটি হয়েছে নিজেকে শুধরে নিয়েছি।
আমাদের লোহাগাড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আমার বিরুদ্ধে এ সম্প্রীতি বিনষ্টের অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা নিতান্ত অমূলক। অতথ আমার স্কুল লাইফের ১০ জন ভালো বন্ধু থাকলে তার ৭/৮ জনই ছিলো মুসলিম। নিজের এসএসসি পরীক্ষা ও দিছি একজন মুসলিম বন্ধু বাড়িতে থেকে। যারা আমাকে ও আমার সুখছড়ী এলাকা চিনেন, সামাজিক পরিবশে সম্পর্কে অবগত আছেন তারা এই বিষয়টা যাচাই করে নিতে পারেন। ফেসবুকের আলোচিত সুজন আর বাস্তবের সুজনের মধ্যে অনেক তফাৎ। নিজের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ৭/৮ বছর থাকা মেসের আমিই ছিলাম একমাত্র হিন্দু মেম্বার তাই জাতিগত হিংসা বা বিভেদমূলক কোন কিছুকে প্রশ্রয় দেয়ার প্রশ্নই আসে না। সেই শুরু থেকে ফেসবুকে লিখতাম নানান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে। লিখতে গিয়ে অনেক সময় ভুল ত্রুটি হয়েছে। কারন জানার বা জ্ঞানের কোন শেষ নেই। অভিজ্ঞদের পরামর্শে ফেসবুক বন্ধুদের নির্দেশনা মেনে ও সার্বিক সহযোগীতা নিয়ে আজ এ পর্যন্ত এসেছি।
অনেক প্রিয়জন আমার কাছে বিরক্তির সুরে বলে এই ফেসবুক ব্যাবহার করে কি হয় জীবনে কি পেলাম, আমি বলি মানুষের ভালোবাসা। আর সমালোচনা থাকবেই, কাজ করতে গেলে এটা মাথা পেতে নিতে হবে। যখই এই ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে কোন কন্যাদ্বায়গ্রস্ থ পিতার কন্যার বিয়েতে বন্ধুদের সহযোগীতায় ছোট খাট ফান্ড তুলে দিতে পারি তখন কষ্ট আর কষ্ট থাকে না।
যখন নিজের ওয়ালে একরি হেল্প পোস্টে মাধ্যমে প্রতিবছর ৪/৫ জন কলেজ দরিদ্র পড়ুয়ার হাতে নতুন বই তুলে দিতে পারি তখন সে দুঃখ গুলো আর দুঃখ মনে হয় না। আর ক্রীড়া জগতের একজন মানুষ হিসেবে গ্রামে সবসময় খেলা আয়োজনের মাধ্যমে হিন্দু মুসলিম সকলের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণতা ছড়িয়ে দিতাম। মাদকের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার ছিলাম আছি, থাকব।
মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কোন কিছু করে যে নির্মল আনন্দ লাভ করা যায় তা আর কোথাও পাওয়া যায় না।
আমার ৫০০০ এর ফ্রেন্ড আর ২৫০০+ ফলোয়ার আমার আইডি থেকে করা হেল্প পোস্টে যে অভূতপূর্ব সাড়া দেয় তাতে আমি অভিভূত না হয়ে পারি না। আমি লেখনীর মাধ্যমে নিজেকে লোহাগাড়ার সোসাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ হিসেবে গড়ে তুলেছে। আমি এ পরিচিতি টা সমাজের অবহেলিত অসহায়দের সাহায্যার্থে ব্যবহার করতে চাই। তাই এ প্রসঙ্গে সকলের সহযোগীতা চাই।
আরো একটি বিষয় আপনাদের জানা দরকার, মানহানীকর ঐ সব পোস্টে যে স্ক্রীনশট গুলো ব্যবহার করা হচ্ছে তা অনেকে আগের। এর অনেকে গুলে ভূল বুঝতে আমি নিজি ডিলিট করেছি আর কিছি সংশোধন ও করেছি তাই এতদিন পর এগুলো আবার সামনে নিয়া মানে এর পেছনে সুগভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এ ব্যাপারে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
আমার বিরুদ্ধে করা পোস্ট গুলোতে, সুখছড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, লোহাগাড়া যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হান্নান চোধুরী ফারুকের সাথে স্কুল কমিটি নিয়ে বিরোধের কথা বলা হয়েছে। বাস্তবতা হচ্ছে উনার সাথে আমার ব্যাক্তিগত বা রাজনৈতিক দ্বন্ধ বা বিরোধ, নেই গত সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনে একসাথে মিলে মিশে কাজ করেছি কোন সমস্যা হয় নি। আর স্কুল নির্বাচনে সবার আলাদা পছন্দের প্যানেল থাকতে পারে এ নিয়ে জল ঘোলা করার কোন সুযোগ নেই। আমি স্কুলের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে স্কুলের ভালো মন্দ নিয়ে কথা বলার অধিকার রাখি। আর আমি এই স্কুলে ৫ বছর শিক্ষকতা করিয়েছি তাই এটা নিয়ে আমি ভাবাবেগে একটু বেশীই হতে পারে আপনার থেকে।
আর আমিরাবাদ ইউপির সুখছড়ী গ্রামে সম্মেলনের মাধ্যমে বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি সম্পাদকের উপস্থিতিতে আমাকে আমিরাবাদ ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কমিটির সম্পাদক করা হয়েছিল। তাই পকেট কমিটি অভিযোগ অবান্তর। আর অন্তরে জামাত প্রীতি রাখা হাইব্রীড আওয়ামী লীগারদের মুখে মুলধারার আওয়ামীলীগের ত্যাগী কর্মীদের নিয়ে সমালোচনা মানায় না।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমার কলম সবসময় সোচ্চার ছিলো থাকবে। কিছু পোস্টে বিষয়কে অতিরঞ্জিত করে আমাকে নানান ভাবে ফোনে অনলাইনে অফলাইনে হুমকি দেয়া হচ্ছে, আমার আইডি হ্যাক করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমার পরিবার কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। আমার বৃদ্ধা মার কানে ও নানান কৌশলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এগুলো কখনো সভ্য সমাজের মানুষে লক্ষন নয়। বৈরীতা থাকতেই পারে তাই বলে এতটা নোংরামী সভ্য সমাজের মানুষের সাথে যায় না।
ছোট পোস্টের একটস বেসরকারী চাকরী করি, এর পর ও সবসময় মানুষের সুখে দুঃখে সবসময়ই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাই করে যাবো এ ব্যাপারে আপনাদের সকলের সহযোগীতা চাই।
শুধু অহেতুক আতংক ছড়িয়ে মানুষে মনে কষ্ট দিয়ে কখনো কোন কিছু লাভ করা য়ায় যায় না।
আমাদের প্রিয় সুখছড়ী গ্রাম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্বলতম দৃষ্টান্ত বলা চলে। আপনার আমার ভুল পদক্ষেপে হয়ত এটির মারাত্বক ক্ষতি হতে পারে কারন সুবিধাবাদীরা সদা তৎপর আপনার আমার ক্ষতি করার জন্য।
অনেকে বলে ফেসবুক বন্ধ করে দিলে কি বা হয়, তাদের কাছে বার্তা দিতে চাই। সমাজে কিছু করতে গেলে সোসাল নিডিয়ার সাহায্য নিলে সে কাজ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। কারন এখন সোসাল মিডিয়ার যুগ। তাই সমাজ ও সম্প্রদায়ের পাশে আছি, পাশে থাকতে চাই। কলম চলছে চলবে, অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করি নাই করবো ও না। ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, পরামর্শ দিবেন,নির্দেশনা দিবেন মাথা পেতে নিবো। অহেতুক ভয় দেখাবেন না, অহেতুক ভয় পেলে কখনো লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না।
যাওয়ার ঢের বাকি, সুদূর গন্তব্য, তাই আপাতত থামছি না, কারো নোংরা মন্তব্যে।
কষ্ট করে সময় ক্ষেপন করে আমার এই লম্বা লিখাটি পড়ার জন্য, ধন্যবাদ ও ভালবাসা নিরন্তর।
গত ১৭আগস্ট দুপুর বেলা আমার নাম্বারে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে কল আসে, অপর প্রান্তের জন নিজেকে লোহাগাড়া উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার নামক ফেসবুক আইডির এডমিন পরিচয় দেয়। পরিচয় দিয়ে বলেন -অন্য জনের পোস্টে বানান ভুল ধরার চাকরী কবে থেকে নিছি, কে কত বেতন দেয় এসব যা তা। পরে সে সংলাপ তুই তোকারি পর্যন্ত যায়। কিছু ক্ষন পরেই তার পরিচয় জানতে পারি সে আমার একই এলাকার বয়সে আমার জুনিয়র হয়, নাম আরিফ। আমি প্রতি উত্তরে বলি আমরা বাংলা ভাষার জন্য বুকের রক্ত দিয়েছি তাই বানান ভুল করা ঠিক নয় আর দেখতে খুবই দৃষ্টি কটু লাগে, আর উপজেলাধীন ডিজিটাল সেন্টার এর নামে জনগুরুত্বপূর্ণ আইডির পোস্টে বানান ভূল খুবই লজ্জাজনক। আপনাদের এই বিষয়টা জানানো দরকার এর কিছু দিন আগে ১৫ আগস্ট শোক দিবসের অনুষ্ঠানের পোস্টে "লোহাগাড়া উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার" নামক আইডি এর পোস্টে বেশ কিছু পরিচিত শব্দে বানান ভূল লক্ষ্য করি এবং তাতে কমেন্ট করে পোস্টদাতার দৃষ্টি আকর্ষন করতে চেষ্টা করি কিন্তু দিন শেষে ও পোস্টদাতার কোনরুপ সাড়া না পেয়ে সেসব ভুল বানানের পোস্টের স্ক্রীনশট নিয়ে আমার আইডি থেকে পোস্ট করি।
এবার আসি আগের মূল কথায়, ফোনে এবং মেসেঞ্জারে আমাকে নানান ভাবে কটুক্তি ও হেয় করার চেষ্টা করে সে ,আমার আইডি হ্যাক করার হুমকি দেয়, আমাকে দেখে নেয়ার ও হুমকি দেয় আমি এতে কর্ণপাত না করে তার ফোন কেটে দিই এবং তাকে ফেসবুকে আমার আইডি থেকে ব্লক মারি।
মূলত এর পর থেকেই শুরু হয় আমার নামে অপপ্রচার নোংরামী যা তা। আমার বিভিন্ন সময় করা পোস্ট গুলোর স্ক্রীনশট নিয়ে চলছে গুজব রটানো। মানুষ মাত্রই ভুল কেউ সমালোচনার উর্ধে নয়। আমি যেরকম নই শুধুমাত্র নিজ স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য আমা যে রকম নই আমাকে সেরকম নোংরা ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, হচ্ছে। যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এটি খুবই দু:খজনক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এই কারনে যে, এখানে বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করতে সাম্প্রদায়িক পোস্টে রুপ দিতে নানান চক্রান্ত চালানো হচ্ছে ভেতরে বাইরে। এটি এই কারনে বলছি যে, এখানে এমন সব পোস্টের স্ক্রীনশট ব্যবহার করা হয়েছে যেসব পোস্টের অস্তিত্ব এখন আর নেই শুধু কয়েক মিনিটের জন্য আমার আইডিতে ছিলো। আমি মানছি কিছু পোস্ট বিতর্কিত ছিলো, কোন বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠীর জন্য অবমাননা কর ছিলো কিন্তু তা তো ক্ষনিকের জন্য ছিলো, এর পরে ডিলিট বা এডিট করা হয়েছিলো নাকি। ডিলিট বা পরিবর্তন করার আগের পোস্টের স্ক্রীনশট দিয়ে কেন জল ঘোলা করা হচ্ছে? প্রশ্ন রইল।
কারন পাঠকের মতামত, এলিট পারসন দের পরামর্শ মেনে পোস্ট গুলো সম্পাদনা বা কিছু ক্ষেত্রে ডিলিট ও দেয়া হয়েছিল। তাহলে ভুল বুঝতে পেরে পদক্ষেপ নেওয়ার পরে ও কেন এগুলো নিয়ে ত্যানা প্যাচাঁ করা হচ্ছে, কোন হীন উদ্যেশ্যেকে?
এটা থেকেই প্রতীয়মান হয় যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাদের নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমার পেছনে লাগছে, এছাড়া কিছু নয়।
সেই ২০০৭ সাল থেকে এই ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে আসতেছি কখনো কোন সমস্যা হয় নি, এই চলার পথো ভূল ত্রুটি হয়েছে নিজেকে শুধরে নিয়েছি।
আমাদের লোহাগাড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আমার বিরুদ্ধে এ সম্প্রীতি বিনষ্টের অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা নিতান্ত অমূলক। অতথ আমার স্কুল লাইফের ১০ জন ভালো বন্ধু থাকলে তার ৭/৮ জনই ছিলো মুসলিম। নিজের এসএসসি পরীক্ষা ও দিছি একজন মুসলিম বন্ধু বাড়িতে থেকে। যারা আমাকে ও আমার সুখছড়ী এলাকা চিনেন, সামাজিক পরিবশে সম্পর্কে অবগত আছেন তারা এই বিষয়টা যাচাই করে নিতে পারেন। ফেসবুকের আলোচিত সুজন আর বাস্তবের সুজনের মধ্যে অনেক তফাৎ। নিজের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ৭/৮ বছর থাকা মেসের আমিই ছিলাম একমাত্র হিন্দু মেম্বার তাই জাতিগত হিংসা বা বিভেদমূলক কোন কিছুকে প্রশ্রয় দেয়ার প্রশ্নই আসে না। সেই শুরু থেকে ফেসবুকে লিখতাম নানান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে। লিখতে গিয়ে অনেক সময় ভুল ত্রুটি হয়েছে। কারন জানার বা জ্ঞানের কোন শেষ নেই। অভিজ্ঞদের পরামর্শে ফেসবুক বন্ধুদের নির্দেশনা মেনে ও সার্বিক সহযোগীতা নিয়ে আজ এ পর্যন্ত এসেছি।
অনেক প্রিয়জন আমার কাছে বিরক্তির সুরে বলে এই ফেসবুক ব্যাবহার করে কি হয় জীবনে কি পেলাম, আমি বলি মানুষের ভালোবাসা। আর সমালোচনা থাকবেই, কাজ করতে গেলে এটা মাথা পেতে নিতে হবে। যখই এই ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে কোন কন্যাদ্বায়গ্রস্
যখন নিজের ওয়ালে একরি হেল্প পোস্টে মাধ্যমে প্রতিবছর ৪/৫ জন কলেজ দরিদ্র পড়ুয়ার হাতে নতুন বই তুলে দিতে পারি তখন সে দুঃখ গুলো আর দুঃখ মনে হয় না। আর ক্রীড়া জগতের একজন মানুষ হিসেবে গ্রামে সবসময় খেলা আয়োজনের মাধ্যমে হিন্দু মুসলিম সকলের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণতা ছড়িয়ে দিতাম। মাদকের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার ছিলাম আছি, থাকব।
মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কোন কিছু করে যে নির্মল আনন্দ লাভ করা যায় তা আর কোথাও পাওয়া যায় না।
আমার ৫০০০ এর ফ্রেন্ড আর ২৫০০+ ফলোয়ার আমার আইডি থেকে করা হেল্প পোস্টে যে অভূতপূর্ব সাড়া দেয় তাতে আমি অভিভূত না হয়ে পারি না। আমি লেখনীর মাধ্যমে নিজেকে লোহাগাড়ার সোসাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ হিসেবে গড়ে তুলেছে। আমি এ পরিচিতি টা সমাজের অবহেলিত অসহায়দের সাহায্যার্থে ব্যবহার করতে চাই। তাই এ প্রসঙ্গে সকলের সহযোগীতা চাই।
আরো একটি বিষয় আপনাদের জানা দরকার, মানহানীকর ঐ সব পোস্টে যে স্ক্রীনশট গুলো ব্যবহার করা হচ্ছে তা অনেকে আগের। এর অনেকে গুলে ভূল বুঝতে আমি নিজি ডিলিট করেছি আর কিছি সংশোধন ও করেছি তাই এতদিন পর এগুলো আবার সামনে নিয়া মানে এর পেছনে সুগভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এ ব্যাপারে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
আমার বিরুদ্ধে করা পোস্ট গুলোতে, সুখছড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, লোহাগাড়া যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হান্নান চোধুরী ফারুকের সাথে স্কুল কমিটি নিয়ে বিরোধের কথা বলা হয়েছে। বাস্তবতা হচ্ছে উনার সাথে আমার ব্যাক্তিগত বা রাজনৈতিক দ্বন্ধ বা বিরোধ, নেই গত সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনে একসাথে মিলে মিশে কাজ করেছি কোন সমস্যা হয় নি। আর স্কুল নির্বাচনে সবার আলাদা পছন্দের প্যানেল থাকতে পারে এ নিয়ে জল ঘোলা করার কোন সুযোগ নেই। আমি স্কুলের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে স্কুলের ভালো মন্দ নিয়ে কথা বলার অধিকার রাখি। আর আমি এই স্কুলে ৫ বছর শিক্ষকতা করিয়েছি তাই এটা নিয়ে আমি ভাবাবেগে একটু বেশীই হতে পারে আপনার থেকে।
আর আমিরাবাদ ইউপির সুখছড়ী গ্রামে সম্মেলনের মাধ্যমে বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি সম্পাদকের উপস্থিতিতে আমাকে আমিরাবাদ ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কমিটির সম্পাদক করা হয়েছিল। তাই পকেট কমিটি অভিযোগ অবান্তর। আর অন্তরে জামাত প্রীতি রাখা হাইব্রীড আওয়ামী লীগারদের মুখে মুলধারার আওয়ামীলীগের ত্যাগী কর্মীদের নিয়ে সমালোচনা মানায় না।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমার কলম সবসময় সোচ্চার ছিলো থাকবে। কিছু পোস্টে বিষয়কে অতিরঞ্জিত করে আমাকে নানান ভাবে ফোনে অনলাইনে অফলাইনে হুমকি দেয়া হচ্ছে, আমার আইডি হ্যাক করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমার পরিবার কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। আমার বৃদ্ধা মার কানে ও নানান কৌশলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এগুলো কখনো সভ্য সমাজের মানুষে লক্ষন নয়। বৈরীতা থাকতেই পারে তাই বলে এতটা নোংরামী সভ্য সমাজের মানুষের সাথে যায় না।
ছোট পোস্টের একটস বেসরকারী চাকরী করি, এর পর ও সবসময় মানুষের সুখে দুঃখে সবসময়ই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাই করে যাবো এ ব্যাপারে আপনাদের সকলের সহযোগীতা চাই।
শুধু অহেতুক আতংক ছড়িয়ে মানুষে মনে কষ্ট দিয়ে কখনো কোন কিছু লাভ করা য়ায় যায় না।
আমাদের প্রিয় সুখছড়ী গ্রাম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্বলতম দৃষ্টান্ত বলা চলে। আপনার আমার ভুল পদক্ষেপে হয়ত এটির মারাত্বক ক্ষতি হতে পারে কারন সুবিধাবাদীরা সদা তৎপর আপনার আমার ক্ষতি করার জন্য।
অনেকে বলে ফেসবুক বন্ধ করে দিলে কি বা হয়, তাদের কাছে বার্তা দিতে চাই। সমাজে কিছু করতে গেলে সোসাল নিডিয়ার সাহায্য নিলে সে কাজ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। কারন এখন সোসাল মিডিয়ার যুগ। তাই সমাজ ও সম্প্রদায়ের পাশে আছি, পাশে থাকতে চাই। কলম চলছে চলবে, অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করি নাই করবো ও না। ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, পরামর্শ দিবেন,নির্দেশনা
যাওয়ার ঢের বাকি, সুদূর গন্তব্য, তাই আপাতত থামছি না, কারো নোংরা মন্তব্যে।
কষ্ট করে সময় ক্ষেপন করে আমার এই লম্বা লিখাটি পড়ার জন্য, ধন্যবাদ ও ভালবাসা নিরন্তর।
0 coment rios: